-7% OFF
আমরুপালি আম — ফলের রাজ্যে এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নাম
প্রাচীন বৈশালী রাজ্যের বিখ্যাত নর্তকী আম্রপালির নামে নামকরণ করা এই আমটি আজ বাংলাদেশের আম জগতে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে। ১৯৭৮ সালে ভারতের বিজ্ঞানীরা দশেহরি ও নিলাম — এই দুটি সেরা জাতের সংকরায়নের মাধ্যমে আমরুপালি উদ্ভাবন করেন। ১৯৮৪ সালে এই অসাধারণ জাতটি বাংলাদেশে আসে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক চাষকৃত আমে পরিণত হয়।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ মিষ্টতার আম
আমের মিষ্টতা পরিমাপ করা হয় ব্রিক্স স্কেলে। আমরুপালি আমের মিষ্টতার মাত্রা প্রায় ২৬%, যা বাংলাদেশের সব আমের মধ্যে সর্বোচ্চ — ল্যাংড়া বা হিমসাগরের চেয়েও বেশি। একবার খেলেই বুঝতে পারবেন কেন এটি 'আমের বাজার'-এর বেস্টসেলার।
অন্য আমের তুলনায় যা আলাদা
আমরুপালির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি প্রতি বছর ফল দেয়। অন্য উন্নত জাতের আমগাছ এক বছর ফলে, পরের বছর ফলে না — কিন্তু আমরুপালি ব্যতিক্রম। এ ছাড়া এতে রয়েছে অন্যান্য বাণিজ্যিক জাতের তুলনায় প্রায় ২.৫ থেকে ৩ গুণ বেশি বিটা ক্যারোটিন, যা চোখ ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। শাঁস সম্পূর্ণ আঁশহীন ও মসৃণ — তাই শিশু থেকে বয়স্ক, সবার জন্য আদর্শ।
পুষ্টিগুণে ভরপুর
আমরুপালিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত আম খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, ত্বক উজ্জ্বল হয়, হজমশক্তি উন্নত হয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি এটি একটি পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর ফল।
আম্রপালি আম ও তার বৈশিষ্ট্য ↗'আমের বাজার'-এর প্রতিশ্রুতি
আমরা প্রতিটি আমরুপালি সরাসরি বিশ্বস্ত বাগান থেকে সংগ্রহ করি। কোনো কৃত্রিম পাকানো নেই, কোনো ফরমালিন বা ক্ষতিকর রাসায়নিক নেই — শুধুই প্রকৃতির সেরা রঙ, গন্ধ ও স্বাদ। স্টক সীমিত থাকে, তাই প্রতি মৌসুমেই আগেভাগে অর্ডার করার পরামর্শ দিই। এই মৌসুমের সেরা আমরুপালি উপভোগ করতে এখনই অর্ডার করুন